মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার


                                                                                                                                                                                                

 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড

   ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০, বাংলাদেশ।

ওয়েব সাইট ঃ www.bwdb.gov.bd ই-মেইল ঠিকানা ঃ dg.bwdb@gmail.com, cm-bwdb@bangla.net

 

নাগরিক সনদ (CITIZEN CHARTER)

 

১.০  মুখবন্ধ:১৯৫৪ এবং ১৯৫৫ সালের উপর্যুপরি ভয়াবহ বন্যার পর বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘের অধীনে গঠিত ‘‘ক্রুগ মিশন’’ সুপারিশক্রমে এতদঞ্চলের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৫৯ সনে পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইপিওয়াপদা) গঠন করা হয়। স্বাধীনতার পর মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫৯, ১৯৭২ মোতাবেক ইপিওয়াপদা এর পানি অংশ উহার একই Mandateনিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) নামে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়। অতঃপর বাপাউবো আইন ২০০০ অনুসারে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাপাউবো পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষ স্থানীয় সংস্থা হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

২.০  উদ্দেশ্য :নাগরিক সনদ প্রণয়নের উদ্দেশ্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে বাপাউবো’র সকল কার্যক্রমপরিচালনা করা।

২.১ প্রকল্প প্রনয়ণ: স্থানীয় জনগনের মতামত, চাহিদা বা প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আলোচনার ভিত্তিতে ‘‘বটম আপ’’ পদ্ধতিতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়, অর্থাৎ উপর থেকে (টপ ডাউন) প্রকল্প চাপিয়ে দেয়া হয় না। প্রাথমিক অনুসন্ধান, যাচাই-বাছাইয়ের পর বিসত্মারিত সমীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাসত্মবায়নযোগ্য প্রকল্পের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (Development Project Proposal/Proforma - DPP) বা ডিপিপি প্রস্ত্তত করা হয়। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের আর্থিক সীমা অনুসারে প্রশাসনিক মন্ত্রনালয়, পরিকল্পনা কমিশন বা একনেক কর্তৃক ডিপিপি অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বা এডিপি প্রণয়ন করা হয়। অতঃপর প্রচলিত সরকারী বিধি বিধান, নীতি ও আইন অনুসারে প্রকল্প বাসত্মবায়ন করা হয়।

২.২ সংক্ষিপ্ত সাফল্য :কাঠামোগত প্রকল্প (জুন ২০০৮ পর্যন্ত)

 

ক্রমিক নং

প্রকল্পের প্রকার

প্রকল্পের সংখ্যা

পানি ব্যবস্থাপনা অবকাঠামো

বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ

১৬০

বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন সুবিধাভূক্ত এলাকা ৬০ লক্ষ হেঃ

সেচ সুবিধা সুবিধাভূক্ত এলাকা ১৪.১ লক্ষ হেক্টর

সমুদ্র থেকে ভূমি উদ্ধার ১,৫০০ বর্গ-কিলোমিটার

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ১০,১০৬ কিঃমিঃ

সেচ খাল ৫,১৫৩ কিঃমিঃ ও নিষ্কাশন খাল ৩,৯৭৭ কিঃমিঃ

পানি নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ১৪,১১০ টি

ব্রীজ/কালভার্ট  ৫,৫৯৯ টি

পাম্প হাউজ - ১৯ টি (১০০টি পাম্প)

ব্যারেজ - ৪ টি ও ক্লোজার ১৩০০ টি

সেচ

৯৩

নিষ্কাশন ও সেচ

৫৩

বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও  নিষ্কাশন

১২২

উপকূলীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন

১২৪

নিষ্কাশন

৩৬

অন্যান্য

১২২

 

মোট

৭১০

২.৩            উল্লেখযোগ্য অবদান :

·          বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধার আওতায় ২০০৭-০৮ সনে প্রায় ৯২.৭ লক্ষ টন অতিরিক্ত খাদ্য শষ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার আর্থিক মূল্যমান ১৬ হাজার কোটি টাকার অধিক।

·          ২০০৭ সন পর্যন্ত দেশের মোট এলাকায় প্রায় ৪৯% বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধার আওতাধীন হয়েছে। 

·          ২২০ টি স্পার ও ৫২২ কিঃমিঃ রিভেটমেন্টের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৪০০ গুরুত্বপুর্ণ স্থাপনা, শহর ইত্যাদি নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য মান প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

·          অন্যান্য অবকাঠামো সহ প্রায় ১০ হাজার কিমি বাঁধ নির্মিত হয়েছে যা ৮ কোটি ৫০ লক্ষ মানুষ ও ১ কোটি ৫৫ লক্ষ ঘরবাড়ি সহ বিস্তির্ণ এলাকা বন্যা ও লবনাক্ততা হতে রক্ষায় অবদান রাখছে।

২.৪ বন্যা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ: বাংলাদেশের জন্য বন্যা একটি বড় সমস্যা যাতে জনগণের জীবন ধারণ এবংদেশের সার্বিক উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্থ  হয়। বন্যা জনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা এবং বন্যা মোকাবেলায় যথাযথ প্রস্তূতি গ্রহণের জন্য ৪৮ ঘন্টা এবং ৭২ ঘন্টার আগাম বন্যা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ দেয়া হয়। দীর্ঘ  মেয়াদী বন্যা ও খরা পূর্বাভাষ প্রদানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মৌসুমী  বন্যা  পূর্বাভাস প্রদানে কারিগরী সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে বাপাউবো  বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।

২.৫ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: বাপাউবো দেশের শীর্ষ সংস্থা যা বন্যা এবং বন্যা জনিত দুর্যোগ মোকাবেলা, দুর্যোগ জনিতক্ষয়ক্ষতি হ্রাস এবং পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত। এজন্য সরকারী বিধিবিধান যেমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্থায়ী আদেশ, (Standing Order for Disaster - SoD) অনুসরণ করা হয়। বন্যার সময় বাপাউবো’র কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ সার্বক্ষণিক নজরদারীতে নিয়োজিত থেকে বন্যা জনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সম্ভব সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে। উপকূলীয় বাঁধ ঘূর্ণীঝড় ও জলোচ্ছাস থেকে জনজীবন ও সহায়-সম্পদ রক্ষা করছে। বাপাউবো’র বিভিন্ন প্রকল্পের অধীনে উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণীঝড় আশ্রয়কেন্দ্র  নির্মাণ করা হয়েছে। নদী ভাঙ্গন পানি জনিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্যোগ, যাতে বিপুল জনগোষ্ঠী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙ্গন রোধ কল্পে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে এবং হচ্ছে। এ বিষয়ে পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। সম্পূরক সেচ সুবিধার আওতায় খরা জনিত দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে স্থানীয় জনগোষ্ঠী খরা মোকাবেলা করছে।

২.৬ ভূমি পুণরুদ্ধার, চর উন্নয়ন ও বসতী স্থাপন :নদী এবং সমূদ্র থেকে ভূমি উদ্ধার করে, যথাযথ কাঠামোগত উন্নয়ন সাধনের পর ঐ সব জমিতে ভূমিহীন লোকদের সংগঠিত বসতি স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে। এটি আন্তঃবিভাগ/মন্ত্রণালয় সমন্বিত কর্মসূচী। এ পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী এলাকায় প্রায় ১,০০০ বর্গ-কিমি ভূমি উদ্ধার করে তাতে ভূমিহীন লোকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সংগঠিত বসতি স্থাপন করা হয়েছে।

৩.০ বাপাউবো’র কার্যাবলী :বাপাউবো আইন ২০০০ অনুসারে বাপাউবো’র সার্বিক কার্যাবলী পরিচালিত হয়। জাতীয় পানি নীতি-১৯৯৯ ও জাতীয় পানি মহাপরিকল্পনা-২০০৪ এর আলোকে এবং অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে বোর্ড নিম্নবর্ণিত কার্যবলী সম্পাদন এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন, পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করে। বাপাউবো’র সার্বিক কার্যাবলী প্রধানত দুই প্রকার, যথা কাঠামোগত (structural)কার্যাবলী এবং অ-কাঠামোগত (non-structural) ও সহায়ক কার্যাবলী, যা নিম্নরুপ :

৩.১ কাঠামোগত কার্যাবলী

 

(K)         নদী ও নদী অববাহিকা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ ও খরা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জলাধার, ব্যারেজ, বাঁধ, রেগুলেটর বা অন্য যে কোন অবকাঠামো নির্মাণ;

(L)          সেচ, মৎস্য চাষ, নৌ-পরিবহন, বনায়ন, বন্যপ্রাণী  সংরক্ষণ ও পরিবেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পানি প্রবাহের উন্নয়ন কিংবা পানি প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য জনপথ, খালবিল ইত্যাদি পুণঃখনন;

(M)       ভূমি সংরক্ষণ, ভূমি পরিবৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধার এবং নদীর মোহনা- নিয়ন্ত্রন;

(N)         তীর সংরক্ষণ ও নদী ভাঙ্গন হতে সম্ভাব্য ক্ষেত্রে শহর, বাজার, হাট এবং ঐতিহাসিক ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ সংরক্ষণ;

(O)          উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ;

(P)           লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ রোধ এবং মরুকরণ প্রশমন;

(Q)          সেচ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পানীয় জল আহরণের লক্ষ্যে বৃষ্টির পানি ধারণ।

৩.২ অ-কাঠামোগত ও সহায়ক কার্যাবলী

 

(R)         বন্যা ও খরা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ;

(S)          পানিবিজ্ঞান সম্পর্কিত অনুসন্ধান কার্য পরিচালনা এবং এতদসম্পর্কিত তথ্য ও উপাত্ত গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ;

(T)          পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগীতায় এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে বোর্ডের সৃষ্ট অবকাঠামোভূক্ত নিজস্ব জমিতে বনায়ন, মৎস্য চাষ কর্মসূচী বাস্তবায়ন এবং বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণ;

(U)         বোর্ডের কার্যাবলীর উপর মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা;

(V)          বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল সংশ্লিষ্ট  সুবিধাভোগীদের মধ্যে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সুবিধাভোগীদের সংগঠিতকরণ, প্রকল্পে তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, প্রকল্প পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ (পওর) এবং প্রকল্প ব্যয় পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত বিভিন্ন কলাকৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উদ্ভাবন, বাস্তবায়ন ও পরিচালন।

 

৪. দূরদৃষ্টি, ব্রত ও লক্ষ্য :

 

4.1                                        দূরদৃষ্টি (Vision)

ব্রত (Mission)

লক্ষ্য (Goal)

জাতীয় পানি নীতি, জাতীয় পানি মহাপরিকল্পনা, অংশগ্রহণ মূলক পানি ব্যবস্থাপনা গাইড লাইন এবং বাপাউবো আইন অনুসারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন। ভবিষ্যতে ক্ষুদ্রায়তন পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সমূহ (১০০০ হেক্টর পর্যন্ত)স্থানীয় সংগঠনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মাঝারী এবং বড় (১০০১ হেঃ বা তদুর্ধ) প্রকল্প সমূহে স্থানীয় সংগঠনের সমন্বয়ে যৌথ ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। এতে অর্ন্তভূক্ত থাকবে;

(K)           সমাজের সকল স্তর, শ্রেণী ও পেশার লোকজনের অংশগ্রহণ ও জীবন মান উন্নয়ন।

(L)            স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা এবং আইনের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

(M)         সকল শ্রেণী ও পেশা, বিশেষত দরিদ্র জনগনের জন্য কার্যকর ও দক্ষ সেবা প্রদান।

(N)           পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন কৌশল অনুসরণ।

দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়ন সাধন। বন্যা, খরা, জলাবদ্ধতা, আন্তর্জাতিক নদীর প্রবাহ, লবণাক্ততা, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা ও প্রাকৃতিক পরিবেশের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি, মৎস্য, বন ইত্যাদি ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন সাধন করা। আর্থিক সক্ষমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, জেন্ডার ন্যায্যতা এবং পরিবেশ সচেতনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের মানুষের জ্ঞান ও সামর্থ্য বৃদ্ধি করা যাতে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁরা নিজেরাই সুষ্ঠু ব্যবহারের লক্ষ্যে পানি সম্পদের পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা করতে পারে। 

জাতীয় পানি নীতি অনুসারে বাপাউবো’র লক্ষ্য সমূহ হচ্ছে;

    - দারিদ্র হ্রাস

    - খাদ্য নিরাপত্তা

    - অর্থনৈতিক দক্ষতা

    - জীবন মান উন্নয়ন

    - প্রাকৃতিক পরিবেশের

        ভারসাম্য রক্ষা

 

৫.০ পরিচালনা পরিষদ :বোর্ডের বিষয়াদি ও কার্যাবলীর সাধারণ পরিচালনা ও প্রশাসন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিষদের উপর ন্যস্ত থাকবে এবং বোর্ড যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করতে পারবে পরিষদও সে সব ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করতে পারবে।

৬.০ সেবাগ্রহীতা (Client) :সকল সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা, সমাজের সকল শ্রেণী - পেশার অধিবাসী, দরিদ্র এবং বিশেষত হতদরিদ্র জনগন, যারা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাঠামোগত ও অ-কাঠামোগত সকল সহায়ক কার্যাবলীর সুবিধা গ্রহণ করেন। বাপাউবো’র সকল কার্যাবলীতে সমাজের সুবিধা বঞ্চিত, অনগ্রসর, দরিদ্র এবং হত-দরিদ্র জনগন বিশেষভাবে বিবেচিত হন। সেবাগ্রহীতার নিকট প্রত্যাশা (১) পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত সকল সরকারি বিধি, বিধান ও আইন কার্যকর এবং দক্ষতার সহিত অনুসরণ করা; এবং (২) পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পের সকল স্তরে সকলের সক্রিয় অংশ গ্রহণ। সেবা গ্রহীতা (Client/Stakeholder) যে সকল সেবা যে দপ্তরের কাছে পাবে তা পরিশিষ্ট-ক এ সন্নিবেশিত করা হল।

৭.০ বোর্ডের কার্যক্রম সম্পর্কে আনীত অভিযোগ নিস্পত্তি :বাপাউবো’র কর্মকান্ড দেশের সর্বত্র বিস্তৃত। ঢাকাতে সদর দপ্তর এবং জেলা/উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে জনগন বা প্রচার মাধ্যম হতে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে বা বিভাগীয় পর্যায়ে কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলে যথাযথ বিধিবিধান অনুসরন করে তদন্তপূর্বক তা নিস্পত্তি করা হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। উল্লেখ্য, অভিযোগের ধরণ ও ব্যপ্তির উপর নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ভরশীল। অভিযোগ তদমেত্মর কার্যপরিধিতে নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্দ্ধারিত থাকে।

৮.০ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দাবী দাওয়া নিস্পত্তি :দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বাপাউবো-তে কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠন আছে। নির্বাচিত কর্মচারী সংগঠন তথা যৌথ দরকষাকষি সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া প্রয়োজনে বাপাউবো পরিচালনা পরিষদে উত্থাপন করা হয়ে থাকে। কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উল্লেখযোগ্য দাবী দাওয়া হল :সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল দপ্তরকে (প্রধান কার্যালয়/মাঠ দপ্তর) ডিজিটাল নেটওয়ার্কিং এর আওতায় আনায়ন করা; বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কে দক্ষ, গতিশীল, কার্যকর এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকায় গ্রীণ রোডস্থ পাউবোর নিজস্ব জায়গায় পানি ভবন নির্মাণ করা; পাউবো’র কার্যপরিধি অনুসারে জনবল (need based man power)অনুমোদন ও নিয়োগের মাধ্যমে সংস্থাকে কার্যক্ষম করা;    বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ অনুমোদিত রিটেনশন পদ সহ সকল শুন্য পদে পদোন্নতি দান এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুন্য পদ সমূহ সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির মাধ্যমে পুরণ করা;        বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (কর্মকর্তা/ কর্মচারী) খসড়া প্রবিধানমালা-২০০৮ বাতিল করতঃ ১৯৮২ সনের চাকুরী বিধি যুগোপযোগী ও সুষম করে সংস্থাকে গতিশীল করা;     ০১-১০-১৯৯১ তারিখের পূর্বে মাষ্টাররোল/কন্টিনজেন্সি তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত চুক্তিভিত্তিক সকল শ্রমিক কর্মচারীদের চাকুরীতে আত্মীকরণ করা এবং   ড্রেজার পরিদপ্তর ও এমই পরিদপ্তর কে পাউবোর সেট-আপভূক্ত করা। উল্লেখ্য, কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের দাবী দাওয়া নিষ্পত্তির সময় সীমা বাপাউবো, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, সংস্থাপন মন্ত্রণালয় এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধামেত্মর উপর নির্ভশীল।

৯.০ বৃক্ষরোপণ :গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত জাতীয় বন নীতি, ১৯৯৪ অনুসরন করে বাপাউবো’র বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হচ্ছে (ক) উপকূলীয় এলাকায় বনায়নের মাধ্যমে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস জনিত ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, জনগন ও সহায়-সম্পদ রক্ষা; (খ) বাপাউবো’র অবকাঠামো সংলগ্ন পতিত জমিতে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার ও পরিবেশ সংরক্ষণ; এবং (গ) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে সুবিধাভোগীদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে আর্থ সামাজিক অবস্থায় উন্নয়ন। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে বাঁধের কোন ক্ষতি করা যাবে না।

১০.০ সেচ সার্ভিস চার্জ :বাস্তবায়িত বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প সমূহে জনগনের অংশ গ্রহণের ভিত্তিতে ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রকল্পসমূহের পওর আংশিক ব্যয়ভার সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ‘‘সার্ভিস চার্জ’’ হিসাবে আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের উপকৃত কৃষকদের সমন্বয়ে গঠিত পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনকে সার্ভিস চার্জ আদায়ের দায়িতবসহ আদায়কৃত অর্থ পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনের সহিত আলোচনাক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প ও র কাজে ব্যয় করার ব্যবস্থা রেখে বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে প্রকল্পসমূহে জনগণের নিজস্ব মালিকানাবোধ সৃষ্টি, সেচের পানির অপচয় রোধ, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্পসৃষ্ট সুবিধার সুষম বন্টনের মাধ্যমে প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন এবং সুষ্ঠু পরিচালন ও টেকসই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয় অধীবাসীদের সম্পৃক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে (১) পাবনা সেচ ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প, (২) মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প, চাঁদপুর, (৩) তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প (১ম পর্যায়), (৪) মুহুরী সেচ প্রকল্প, (৫) কর্ণফুলী সেচ প্রকল্প, (৬) হারবাংছরি সেচ প্রকল্প, (৭) টাংগন বাঁধ প্রকল্প, (৮) বুড়ি তিস্তা প্রকল্প, (৯) নারায়নগঞ্জ-নরসিংদী সেচ প্রকল্প, (১০) উত্তর রূপগঞ্জ পানি সংরক্ষণ ও সেচ প্রকল্প, (১১) চাঁদপুর সেচ প্রকল্প,

এবং (১২) মনু নদী সেচ প্রকল্প সার্ভিস চার্জের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যাক্রমে অন্যান্য প্রকল্প এ ব্যবস্থার আওতাভূক্ত করা হবে।

১১.০ জনগণের অংশগ্রহণ (Peoples’ Participation):জাতীয় পানি নীতি ও অংশগ্রহণমূলক পানি ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা মোতাবেক অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থাপনার নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য সকল প্রকল্পে পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠন (WMO)গঠন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। WMOসমুহ পানি ব্যবস্থাপনা দল/গোষ্ঠি (WMG)পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি (WMA)এবং পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশন (WMF)সমন্বয়ে গঠিত।

একনজরে বোর্ডের প্রকল্পসমূহে জনগনের অংশগ্রহণ নিম্নরুপ :

 

পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠন

সংগঠন সংখ্যা

মোট সদস্য সংখ্যা

মমত্মব্য

পানি ব্যবস্থাপনা দল

৭৮৯৮ টি

২৮২৫৫৪ জন

এযাবৎ ১০৪টি প্রকল্পে WMO’র মাধ্যমে ২৯৭,২২৪ জন সদস্য প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখছেন। জনগনের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা হিসাবে WMOসমুহ হবে, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার চালিকা শক্তি এবং স্থানীয় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার তৃর্ণমূল পর্যমত্ম সকল স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম।

পানি ব্যবস্থাপনা এসোসিয়েশন

১৬৬ টি

১৩৯৯৫ জন

পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশন

৮ টি

৬৭৫ জন

জাতীয় পানি নীতি অনুসারে প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে এবং সফল পরীক্ষামূলক পরিচালন শেষে গৃহীতব্য পদক্ষেপ হবে;

 

·       বৃহৎ প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম (৫০০১ হেক্টর বা তদুর্ধ) লিজিং, ব্যবস্থাপনা চুক্তি অথবা যৌথ ব্যবস্থাপনার   মাধ্যমে বেসরকারী ব্যবস্থাপনার আওতায় পরিচালিত হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও WMOসম্পৃক্ত থাকবে;

·       মাঝারি প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীমের (৫০০০ হেক্টর পর্যন্ত) ব্যবস্থাপনা WMOএর নিকট অর্পণ করা হবে,

·       ক্ষুদ্রাকৃতি (১০০০ হেক্টর পর্যমত্ম) প্রকল্প/উপ-প্রকল্প/স্কীম এর মালিকানা, যেগুলো WMOকর্তৃক             সন্তোষজনকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে, স্থানীয় সরকারসমূহের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

ইজারা/ লিজিং/ব্যবস্থাপনা চুক্তি, যৌথ ব্যবস্থাপনা ও মালিকানা হস্তান্তরের প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্যর মধ্যে অন্তর্ভূক্ত থাকবে, (১) বিবিধ ব্যবস্থার আওতায় সম্পৃক্ত পক্ষসমূহের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, (২) WMOর ভূমিকা ও দায়িত্ব (৩) বাস্তবায়নকারী সংস্থা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, অন্যান্যের ভূমিকা ও দায়িত্ব এবং (৪) বিরোধ নিস্পত্তি এবং সমস্যা সমাধানের উপায়।

১২.০ যোগাযোগ ও মতামত প্রদান :পানি সম্পদ উন্নয়ন ও পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাপাউবো জনগণের মতামতের উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এজন্য বাপাউবো ওয়েব সাইটে (www.bwdb.gov.bd) সর্বসাধারন তাঁদের লিখিত মতামত ই-মেইল এর মাধ্যমে প্রেরন করতে পারেন। এছাড়াও সদর দপ্তরে অবস্থিত বোর্ড সচিবালয় বা জনসংযোগ শাখায় লিখিত মতামত দেয়া যেতে পারে। জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরেও মতামত দেয়া যেতে পারে।

 


পরিশিষ্ট-ক

সেবা গ্রহীতা (Client/Stakeholder) যে সকল সেবা যে দপ্তরের কাছে পাবে :-

 

ক্রঃ নং

সেবার ধরণ

সংশ্লিষ্ট দপ্তর

১।

তথ্য ও উপাত্ত

 

ক) পানি বিজ্ঞান

পরিচালক, প্রসেসিং সার্কেলের দপ্তর, পানি বিজ্ঞান, ৭২ গ্রীন রোড, ঢাকা।

খ) বন্যা পূর্বাভাষ

বন্যা পূর্বাভাষ ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল , ঢাকা।

গ) প্রকল্প বাসত্মবায়ন

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী /প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে : প্রধান, মনিটরিং, পরিচালক, কার্যক্রম/পরিচালক, পওর এর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ঘ) ক্রয়

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/ প্রকল্প পরিচালক/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, প্রক্রিউরমেন্ট সেল/ পরিচালক, প্রচার সেল এর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা

 

ঙ) বাজেট প্রণয়ন, অর্থ বিলি

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, অর্থ/ কার্যক্রম/পওর এর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল,  ঢাকা।

 

চ) পেনশন, অর্থ পরিশোধ ইত্যাদি

মাঠ পর্যায়েরঃ আঞ্চলিক হিসাব কেন্দ্র ।

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, হিসাব রক্ষণ পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ছ) অডিট সংক্রামত্ম তথ্য

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, অডিট পরিদপ্তর, আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

জ) অভিযোগ/ নিরাপত্তা

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, শৃংখলা পরিদপ্তর/ পরিচালক, নিরাপত্তা পরিদপ্তর আনছার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

 

ঝ) ভূমি অধিগ্রহণ

মাঠ পর্যায়ের :  তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী /নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে : পরিচালক, ভূমি ও রাজস্ব পরিদপ্তর, পাউবো, আনছার চেম্বার, ঢাকা।

২।

সেচ কার্যক্রম ও সেচ কর

মাঠ পর্যায়ে : নির্বাহী প্রকৌশলী /সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এর দপ্তর ।

কেন্দ্রীয় ভাবে : প্রধান পানি ব্যবস্থাপকের দপ্তর আনসার চেম্বার, মতিঝিল, ঢাকা।

৩।

পানি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন, সেচ কাঠামো  পরিচালনা ও সেচ সংক্রামত্ম পরামর্শ

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা/উপ-প্রধান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা/সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এর দপ্তর।

৪।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ/পানি নিষ্কাশন কাঠামো পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী /নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে :  প্রধান, মনিটরিং /পরিচালক, পওর এর দপ্তর, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল, ঢাকা।

৫।

নূতন প্রকল্প গ্রহণ

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী/নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান, পরিকল্পনা, ওয়াপদা ভবন, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।

৬।

নদী ভাঁঙ্গনরোধ

মাঠ পর্যায়ে : প্রধান প্রকৌশলী/তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী /নির্বাহী প্রকৌশলী এর দপ্তর।

৭।

জমি ইজারা/মৎস চাষ/বৃক্ষ রোপন

মাঠ পর্যায়ে : নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর।

কেন্দ্রীয় ভাবে: ভূমি ও রাজস্ব পরিদপ্তর, বাপাউবো, আনছার চেম্বার, ঢাকা।

৮।

যান্ত্রিক সরঞ্জাম ও ড্রেজার ব্যবহার ও ভাড়া

কেন্দ্রীয় ভাবে: প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর , যান্ত্রিক সরঞ্জাম, পাউবো,  তেজগাঁও, ঢাকা/প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর, ড্রেজার, পাউবো, নারায়নগঞ্জ।

    


Share with :

Facebook Twitter